যশাই উচ্চ বিদ্যালয় বাংলাদেশের যশাইহাট পার্বতীপুর দিনাজপুরে অবস্থিত । এই বিদ্যালয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে আসে এবং ইউনিক ইউনিফাইড ইউজার ইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ইআইআইএন) হল 120960। এটি 1949 সালে 1 জানুয়ারী তারিখে প্রথমবার চালু হয়েছিল। এটি একটি সম্মিলিত শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম প্রদান করে এবং বিজ্ঞান, ব্যবসায় অধ্যয়ন, এবং মানবিক শিক্ষা দেয়। যশাই উচ্চ বিদ্যালয়ের এমপিও নম্বর হল 7813061303 এবং এটি দিনের শিফটে কাজ করে।
এই বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দ্বারা সঞ্চালিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি সরকার দ্বারা স্বীকৃত এবং স্বীকৃত স্তর মাধ্যমিক শিক্ষা প্রদান করে। জসাই উচ্চ বিদ্যালয় দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অবস্থিত এবং এটি একটি হাই স্কুল হিসেবে বিজ্ঞান, ব্যবসায় অধ্যয়ন, এবং মানবিক শিক্ষা দেয়। এই ইনস্টিটিউটটি গ্রামীণ এবং ভৌগোলিক অবস্থানে অবস্থিত এবং এটি ১০ নং নির্বাচনী এলাকায় প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করে। বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের গড় বয়স বেশি স্কুলের বয়স ৪৯ বছর।


প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী-অভিভাবক, কমিটির সাবেক ও বর্তমান সদস্য , শিক্ষানুরাগী, দাতা, এলাকাবাসী এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন, ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলাধীন আমবাড়ী-সৈয়দপুর পাকা সড়কে পার্শ্বে মনোমুগ্ধকর পরিবেশে যশাই উচ্চ বিদ্যালয়টি অবস্থিত। ১৯৪৯ ইং সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ বিদ্যালয়টি শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে অনন্য বৈশিষ্টের দাবিদার। এলাকার শ্রমজীবি মানুষ থেকে শুরু করে জ্ঞানী-গুণী, শিক্ষানুরাগী,শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি আজ একটি সনামধন্য প্রতিষ্ঠানের মর্যদা অর্জন করেছে। শতাব্দী প্রাচীন এ বিদ্যাপিঠ থেকে জন্ম নিয়েছে অনেক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও জ্ঞানী-গুণী বরেণ্য ব্যক্তি , যারা দেশ ও জাতির কল্যাণে অনন্য অবদানের সাক্ষর রেখেছে।
আমি নিজেই এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্র ছিলাম। ১৯৮৭ সালে এই বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করি। ১৯৯৪ সালে এই প্রতিষ্ঠানে প্রথম শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করি। ২০০৪ সালে সহকারী প্রধান শিক্ষক ও ২০১০ সাল থেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত আছি মর্মে নিজেকে পরম সৌভাগ্যবান মনে করছি।
শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষকগনের পেশাগত দক্ষতার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে তথ্য-প্রযুক্তির যুগে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পুরনে অত্র প্রতিষ্ঠান শিক্ষা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ জন্য প্রতিটি শ্রেণিকক্ষ সহ সমস্ত বিদ্যালয় সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত এবং শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব সহ দুইটি সমৃদ্ধ ল্যাব, সমৃদ্ধ পাঠাগার, আধুনিক বিজ্ঞানাগারসহ সহপাঠ্যক্রমিক কার্যাবলীর জন্য বিশাল খেলার মাঠের ব্যবস্থা আছে।
যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সকল বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে আগামী প্রজন্মকে দূর্বার দূরন্ত গতিতে যেন আলোর পথে এগিয়ে নিতে পারি, সেজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
আমাদের বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য হলো একটি সৃজনশীল, জ্ঞানগ্রহণকারী, এবং নৈতিক মৌলবন্ধনে উন্নত ব্যক্তিত্ব গঠন করা। আমরা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য একটি সুরক্ষিত ও সমৃদ্ধ শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উন্নতির দিকে মুখোমুখি সাহায্য করি এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্ব বাড়াতে সাহায্য করি।
আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার দিকে প্রবৃদ্ধি করে তাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং সুস্থ আচরণ প্রদান করি। আমরা একটি নৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, জীবন্ত সম্প্রাণ্য, এবং দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধির প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করি। আমরা প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর সাক্ষরতা, দক্ষতা, ও নৈতিক মৌলবন্ধন উন্নত করে তাদেরকে সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্বের সাথে তৈরি করতে সহায়ক হতে চাই।
আমাদের বিদ্যালয়ের দর্শন হলো একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের আদর্শ মানুষ তৈরি করা। আমরা একটি পরিবেশবাদী, শিক্ষার স্বাধীনতা এবং সমৃদ্ধ মূল্যবোধের সাথে সংকল্পিত আছি। আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক, শারীরিক এবং নৈতিক উন্নতির দিকে প্রবৃদ্ধি করতে চাই, তাদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্ব বাড়াতে সাহায্য করি।
আমরা একটি প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং জ্ঞানের গঠন করে তাদেরকে সৃজনশীল সমস্যা সমাধানের দিকে প্রবৃদ্ধ করি। আমরা তাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক উন্নতির জন্য শিক্ষার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করি এবং তাদেরকে নৈতিক মূল্য ও সমাজের মর্যাদা মেনে চলতে উৎসাহিত করি।